গীতা পাঠ,শংকর মঠ,বাংলাদেশ,নতুন গান,বান্দরবান,শংকর মঠ সীতাকুণ্ড,লীলা কীর্তন,বান্দরবানে,গীতা শিক্ষা,পাল্টা গান,সীতাকুণ্ড,ভক্তিমূলক গান,গিতার আলোচনা,হরি নাম,গীতা আলোচনা,বরিশাল

”শংকর মঠ” পরিচিতি

শংকর মঠ(Shangkar Moth) বরিশাল জেলা শহরের নতুন বাজারে অবস্থিত। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের নেতা স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী ১৮৮৪ সালের ১২ আগস্ট গলাচিপায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি শ্রী শ্রী শংকর মঠ নামে ১৯১২ সালে এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সতীশ চন্দ্র মুখোপাধ্যায় স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতীর আসল নাম। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে আশ্রম প্রতিষ্ঠা করার পরও স্বামী প্রজ্ঞানানন্দের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। এমনকি শংকর মঠ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়স্থল হিসাবে সর্বদা উন্মুক্ত ছিল।

শংকর মঠ তিন গম্বুজ বিশিষ্ট তাহার শীর্ষে সমাহিত রয়েছে ধাতুর নির্মিত ‘ওঁ’ চিহ্ন এবং রয়েছে একটি ত্রিশূল। তিনটি কক্ষ রয়েছে শংকর মঠের ভিতরে। মঠের মূল কক্ষে রাখা আছে একটি কষ্টিপাথরে গঠিত শিবলিঙ্গ। দুইপাশের কক্ষের মধ্যে একটি কক্ষে রয়েছে শংকরানন্দের বিগ্রহ এবং অন্যটিতে রয়েছে স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতীর সমাধি মন্দির।

”শংকর মঠ” কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বরিশাল সড়ক পথে : সড়ক পথে ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে সময় লাগে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। গাবতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে বরিশাল যাওয়ার বাসগুলো সাধারণত পাটুরিয়া ঘাট হয়ে চলাচল করে, তবে কিছু সংখ্যক বাস মাওয়া ঘাট দিয়ে বরিশালের যেয়ে থাকে। বরিশাল রোডে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে হানিফ পরিবহন, ঈগল পরিবহন, শাকুরা পরিবহ অন্যতম। বরিশালগামী এসি এবং নন-এসি বাসের ভাড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে। বরিশাল শহরের নতুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ডে এসে থামে ঢাকা হতে আসা বাসগুলো। রিকশা বা সিএনজি করে বরিশাল শহর থেকে শংকর মঠ যেতে পারবেন।

ঢাকা থেকে বরিশাল নৌপথে : রাত ৮ টা থেকে রাত ৯ টার মধ্যে ঢাকার সদরঘাট হতে বেশকিছু লঞ্চ বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। লঞ্চগুলোর মধ্যে রয়েছে সুন্দরবন ৭/৮, সুরভী ৮, পারাবত ১১, কীর্তনখোলা ১/২। গ্রিনলাইন লঞ্চে যেতে পারেন সেক্ষেত্রে সকালে যেতে হবে।

”শংকর মঠ” কোথায় থাকবেন

বরিশালে ভালো মানের অনেক আবাসিক হোটেল অবস্থিত যেগুলোতে খুব সহজে রাতে থাকতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য কিছু আবাসিক হোটেলের নাম ও মোবাইল নাম্বার প্রদান করা হল।

বিশেষ নিবেদন

বাংলাদেশের যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের দেশের সম্পদ, আমাদের সম্পদ। এইসব স্থানগুলোর সৌন্দর্য্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তাই এইসব স্থানের প্রাকৃতিক অথবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করবনা যাতে করে এইসব স্থানগুলোর সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়ে যায়। আমারা বাঙালি তাই আমরা কখনই চাইবনা আমাদের দেশের সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়ে যাক। আমরা নিজেরা সৌন্দর্য্য উপভোগ করি এবং সবাইকে উপভোগ করার সুযোগ করে দেই। এই দেশ আমাদের, এই দেশের সব কিছুই আমাদের তাই দেশের প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

বিডি ট্রাভেল গাইড সব সময় চেষ্টা করবে আপনাদের কাছে সঠিক তথ্য প্রদান করতে। ভালো লাগলে শেয়ার করুন সবার সাথে এবং আমাদের সাথে থাকার অনুরুধ রইল। ধন্যবাদ।।।

হ্যাপি ট্যুর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here